২০২০ সালের মার্চে ভুয়া কাগজপত্র ও জাল পাসপোর্ট ব্যবহার করে প্যারাগুয়েতে প্রবেশের অভিযোগে ব্রাজিলের ফুটবল কিংবদন্তি রোনালদিনহো ও তাঁর ভাইকে আটক করে সে দেশের পুলিশ। আদালতের রায়ে তাঁদের ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হলেও ৩২ দিন পর জামিনে মুক্তি পান রোনালদিনহো।
সম্প্রতি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কারাগারে কাটানো সেই সময়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন ব্যালন ডি’অরজয়ী এই তারকা। তিনি জানান, জেলে ভয়ংকর কিছু ঘটবে ভেবে তিনি আতঙ্কিত ছিলেন। কিন্তু বাস্তবে তার উল্টো চিত্র দেখেন। কর্তৃপক্ষ ও প্রহরীরা তাঁর সম্মানে ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করে এবং তাঁকে খেলার কৌশল দেখাতে বলেন। কারাগারেই ফুটবল খেলেছেন, ভক্তদের স্বাক্ষর দিয়েছেন এবং অপ্রত্যাশিত এক অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে সেই সময় পার করেছেন রোনালদিনহো।
রোনালদিনহো প্যারাগুয়েতে আটক থাকাকালীন সময়টিকে ভয়ংকর নয়, বরং আনন্দময় অভিজ্ঞতা হিসেবেই বর্ণনা করেছেন। গ্রেপ্তারের পরদিনই তিনি অন্যদের সঙ্গে ফুটবল খেলায় অংশ নেন, যা দেখতে প্রহরী ও কারারক্ষীরাও উপস্থিত ছিলেন। সেই দিনটি সবার জন্যই উপভোগ্য হয়ে ওঠে এবং কারাগারে কাটানো সময়টা তার কাছে ভালোই লেগেছিল বলে জানান তিনি।
প্যারাগুয়ের ক্যাসিনো মালিক নেলসন বেলোত্তির আমন্ত্রণে দাতব্য সংস্থার শুভেচ্ছা দূত হিসেবে রোনালদিনহো ও তার ভাই দেশটিতে যান। তবে সে সময় তার কাছে বৈধ ব্রাজিলীয় পাসপোর্ট ছিল না। লেক গুয়াইবাতে অনুমোদন ছাড়া একটি চিনিকল নির্মাণের কারণে ব্রাজিল সরকার তাকে ২৩ লাখ ডলার জরিমানা করে এবং জরিমানা পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় আগেই তার পাসপোর্ট জব্দ করা হয়েছিল।