বাংলাদেশ ব্যাংক এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন (আকু) সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের আমদানি বিল পরিশোধ করেছে। আকুর এক দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলার পরিশোধের পরও দেশের বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভ ৩১ বিলিয়নের উপরে রয়েছে। বিপিএম-৬ অনুযায়ী দেশীয় রিজার্ভ বর্তমানে ২৬ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, রোববার (৯ নভেম্বর) গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ডলারে। এর আগে ৬ নভেম্বর রিজার্ভ ছিল ৩২ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলার। বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে ওই সময় রিজার্ভ ছিল ২৮ বিলিয়ন ডলার।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ ২০২২ সালের জুলাইয়ে মে-জুন সময়ের আমদানি ব্যয় হিসাবে বাংলাদেশ এক দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলার আকু বিল পরিশোধ করেছিল। এরপর ২০২৩ সালের পুরো বছরজুড়ে দ্বি-মাসিক আকু বিলের পরিমাণ এক দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের নিচে ছিল।
তবে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে আকুর বিলের পরিমাণ আবার বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। চলতি বছরের মে-জুনে আকু পেমেন্ট পৌঁছায় প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারে, যা গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। বিশ্লেষকরা বলছেন, আকুর বিল পরিশোধ সত্ত্বেও উচ্চ রিজার্ভ দেশের বৈদেশিক মুদ্রা জোগান ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য ইতিবাচক সংকেত। এ ধরনের মজুত বৈদেশিক মুদ্রা বিনিয়োগ, আমদানি ও আন্তর্জাতিক লেনদেনে সহায়ক ভূমিকা রাখছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সতর্কভাবে এই রিজার্ভ ব্যবস্থাপনায় মনোযোগী।