মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, গবেষণা বা মতামতের আড়ালে মুক্তিযুদ্ধের গৌরবকে কোনোভাবেই খাটো করা উচিত নয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, স্বাধীনতার ইতিহাস নিয়ে আলোচনা অব্যাহত থাকবে, তবে তা যেন সত্যনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল হয়।
শুক্রবার বিকেলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, অতীতকে অস্বীকার করা যেমন ভুল, তেমনি অতিরিক্ত অতীতচর্চাও ভবিষ্যতের অগ্রযাত্রায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে। তাঁর ভাষায়, “অতীত ভুলে গেলে চলবে না, আবার অতীত নিয়েই পড়ে থাকাও সমাধান নয়।”
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে জিয়াউর রহমান একটি গুরুত্বপূর্ণ ও অবিচ্ছেদ্য নাম। নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, গবেষণা ও আলোচনায় এমন কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া উচিত নয়, যা মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনাকে ক্ষুণ্ন করে।
তিনি আরও বলেন, “অতীত নিয়ে অতিরিক্ত নাড়াচাড়া করলে এক চোখ অন্ধ হয়ে যায়, আর অতীত ভুলে গেলে দুই চোখই অন্ধ হয়ে যায়।”
গত ১৭ বছরে ইতিহাসের কিছু অংশ আড়াল হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।