Ridge Bangla

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কবে?

বাংলাদেশে নতুন সংসদ সদস্য, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে সরকারের যাত্রা শুরু হলেও রাষ্ট্রপতি কে হবেন এবং কবে নির্বাচন হবে, তা নিয়ে তীব্র জল্পনা চলছে।

ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মো. সাহাবুদ্দিন। তবে দেশজুড়ে গণঅভ্যুত্থানের পর ছাত্র-জনতার পক্ষ থেকে তাঁর পদত্যাগের দাবি ওঠে। শুরু থেকেই বিএনপি এই বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত সাহাবুদ্দিনের কাছ থেকে শপথ গ্রহণ করে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।

বর্তমানে মো. সাহাবুদ্দিনের মেয়াদ চলমান, যা ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত। তাই পদে থাকা অবস্থায় আইনগতভাবে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সুযোগ নেই। তবে তিন কারণে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজন করা যেতে পারে। সংবিধান বিশ্লেষক জাহেদ ইকবাল বলেন, ‘শারীরিক অসুস্থতা, মানসিক কারণে অথবা গুরুতর অসদাচরণজনিত কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হতে পারে।’

মেয়াদ শেষ, পদত্যাগ বা অভিশংসনের কারণে পদ শূন্য হলে নির্বাচন কমিশন নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্ব পালন করে। নির্বাচন কমিশনার বা সিইসি নির্বাচনী কর্তা হিসেবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনা করেন এবং স্পিকারের সঙ্গে সমন্বয় করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন।

গত ডিসেম্বরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে হোয়াটসঅ্যাপে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর তিনি পদত্যাগ করতে ইচ্ছুক। তিনি বলেন, “আমি সরে যেতে চাই, তবে নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করা উচিত। সাংবিধানিকভাবে আমি দায়িত্ব পালন করছি। নতুন সরকার শপথ নেওয়ার পর রাষ্ট্রপতি পদে পরিবর্তন আসতে পারে। সংসদে নতুন স্পিকার দায়িত্ব গ্রহণের পর রাষ্ট্রপতি যদি পদত্যাগপত্র জমা দেন, তাহলে অভিশংসনের প্রয়োজন হবে না। তবে পদত্যাগের আগ্রহ প্রকাশ করায় জটিলতা সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।”

This post was viewed: 6

আরো পড়ুন