২০২৩ সালের এক রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পর্ন ভিডিও দেখতে গিয়ে ভয়াবহ বাস্তবতার মুখোমুখি হন এরিক (ছদ্মনাম)। ভিডিওতে দেখা দম্পতিটি যে তিনি ও তাঁর বান্ধবী, তা বুঝতে তার সময় লাগেনি। তিন সপ্তাহ আগে শেনঝেনের একটি হোটেলে কাটানো তাদের ব্যক্তিগত মুহূর্ত গোপন ক্যামেরায় ধারণ করে অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।
চীনে উৎপাদন ও বিতরণ নিষিদ্ধ হলেও স্পাই-ক্যাম পর্ন অন্তত এক দশক ধরে বিদ্যমান। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। বিশেষ করে নারীরা ক্ষুদ্র ক্যামেরা শনাক্তের কৌশল শেয়ার করছেন। কেউ কেউ নিরাপত্তার জন্য হোটেল কক্ষের ভেতর তাঁবু খাটাতেও বাধ্য হচ্ছেন।
গত বছরের এপ্রিলে চীনের সরকার নতুন বিধিমালা জারি করে হোটেল মালিকদের নিয়মিত গোপন ক্যামেরা তল্লাশির নির্দেশ দেয়। তবু বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সাম্প্রতিক সময়েও অসংখ্য স্পাই-ক্যাম ভিডিও হোটেল কক্ষে ধারণ করে একাধিক সাইটে বিক্রি হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নজরদারি ও কঠোর প্রয়োগ ছাড়া ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা কঠিনই থেকে যাবে।