আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ৫৫ শতাংশ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। একই সঙ্গে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, নির্বাচনকে ঘিরে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্ত বা বিচ্ছিন্ন সহিংসতার ঘটনা ঘটতে পারে।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীতে মিডিয়া রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এমআরডিআই) ও ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ডিকাব) আয়োজিত একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচন ইতিহাসে সহিংসতা নতুন কিছু নয়। ১৯৯১ সাল থেকে এ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত প্রায় সব জাতীয় নির্বাচনেই কোনো না কোনোভাবে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। তবে এবারের নির্বাচনে জনগণের প্রত্যাশা অনেক বেশি এবং সেই প্রত্যাশা পূরণ হবে বলেই তিনি আশাবাদী।
তিনি বলেন, “আসন্ন নির্বাচনে বিচ্ছিন্ন সহিংসতা হতে পারে, কিন্তু সার্বিকভাবে দেশের মানুষ একটি শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন প্রত্যাশা করছে।” এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমকর্মীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্বাচনী পরিবেশ সঠিকভাবে তুলে ধরতে সাংবাদিকদের দায়িত্বশীলতা জরুরি। পাশাপাশি সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
১৯৯১ সালের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ জাতীয় নির্বাচনের উদাহরণ টেনে তৌহিদ হোসেন বলেন, সে নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল প্রায় ৫৫ শতাংশ। তাঁর বিশ্বাস, আসন্ন ১২ তারিখের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি সেই হারকে ছাড়িয়ে যাবে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জাতিসংঘের উন্নয়ন সংস্থার (ইউএনডিপি) একজন প্রতিনিধি। তিনি বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরাপদ নির্বাচনের জন্য সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নারী প্রার্থী ও নারী সাংবাদিকদের নিরাপত্তা রক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ওপর জোর দেন তিনি।