সাবেক ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল হাসান সাদ্দামের স্ত্রী ও সন্তানের মৃত্যুর পর তাকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা গুজব ছড়িয়েছে। এ বিষয়ে যশোর জেলা প্রশাসন (ডিসি) কার্যালয় স্পষ্ট করে জানিয়েছে, প্যারোলে মুক্তির কোনো আবেদনই করা হয়নি।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) জেলা প্রশাসকের মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাগেরহাট কারাগার থেকে ১৫ ডিসেম্বর যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে আনা হয় জুয়েল হাসান সাদ্দামকে। পরিবারের পক্ষ থেকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা কেন্দ্রীয় কারাগারের কাছে প্যারোলে মুক্তির কোনো লিখিত আবেদন করা হয়নি।
বরং সময়ের স্বল্পতার কারণে পরিবার পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্যারোলে আবেদন না করে জেল ফটকে মরদেহ দেখার ব্যবস্থা করেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ফেসবুকে ভাইরাল বিভিন্ন পোস্টে বন্দির স্ত্রীকে লেখা চিঠি ও কারাগারে বন্দি অবস্থায় ছবি প্রকাশের বিষয়গুলো কারাগারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। এছাড়া কেউ আবেদনের পরও প্যারোলে মুক্তি পেয়েছে- এমন তথ্যও সম্পূর্ণ ভুল।
জেলা প্রশাসন নিশ্চিত করেছে, কোনো লিখিত আবেদন জমা হয়নি এবং প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়নি। জেলা প্রশাসনের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, পরিবারের মৌখিক আবেদনের প্রেক্ষিতে কারা কর্তৃপক্ষ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে মানবিক দিক বিবেচনায় জেল ফটকে মরদেহ দেখার অনুমতি দিয়েছে।