পর্তুগালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন চলছে, যেখানে বর্তমান প্রেসিডেন্ট মার্সেলো রেবেলো দে সোসা সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতার কারণে আর প্রার্থী নন। সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ হবে। এবারের নির্বাচনে মোট ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যার মধ্যে ১০ জন পুরুষ ও ১ জন নারী।
নির্বাচনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর অংশগ্রহণে নানা মতাদর্শের প্রতিনিধিত্ব রয়েছে, ফলে প্রতিযোগিতা তীব্র হয়েছে। ভোটারদের সামনে ভিন্ন রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি ও প্রতিশ্রুতির একাধিক বিকল্প উপস্থিত।
নির্বাচনী প্রচারণায় বাড়িভাড়া ও আবাসন সংকট, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, অভিবাসন ও সীমান্ত নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সংস্কার এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা- এই প্রধান ইস্যুগুলো প্রাধান্য পেয়েছে। প্রার্থীরা এসব বিষয়ে ভিন্ন সমাধান তুলে ধরে ভোটারদের আকৃষ্ট করছেন। পর্তুগালের সংবিধান অনুযায়ী প্রথম দফায় কেউ ৫০ শতাংশ ভোট না পেলে শীর্ষ দুই প্রার্থীকে নিয়ে দ্বিতীয় দফা ভোট হবে। বিশ্লেষকদের মতে, এ নির্বাচনে দ্বিতীয় দফার সম্ভাবনা বেশি।
পর্তুগালের রাষ্ট্রপতির পদটি মূলত সম্মানসূচক হলেও সংসদ ভেঙে দেওয়া, আইনে ভেটো প্রদান এবং রাজনৈতিক সংকটে হস্তক্ষেপের মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক ক্ষমতা রয়েছে। এ কারণে আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন কেবল নেতৃত্ব পরিবর্তনের বিষয় নয়, বরং এটি দেশটির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ভারসাম্য, গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা এবং জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন হিসেবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।