ইরানে চলমান বিক্ষোভের কারণে সহিংসতা বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালগুলোতে রোগীর সংখ্যা অনেকাংশে বেড়েছে। এতে চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের। রাজধানী তেহরানের একটি চক্ষু হাসপাতালে এক চিকিৎসক জানিয়েছেন, তাদের প্রতিষ্ঠান সংকটের মধ্যে রয়েছে এবং রোগীর স্রোত সামলানো কঠিন হয়ে উঠেছে। অন্য একটি হাসপাতালে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত সার্জন না থাকায় তারা আহতদের সঠিক চিকিৎসা দিতে পারছেন না।
দেশটিতে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে মূলত অর্থনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি ও জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধির কারণে। সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় মাধ্যম থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আহতদের সংখ্যা দিনদিন বাড়ছে।
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার বলেছেন, “ইরান বড় সমস্যায় আছে।” তিনি বিক্ষোভকারীদের পক্ষে অবস্থান নিয়ে ইরান সরকারকে সতর্ক করে বলেন, “তোমরা শুটিং শুরু করলে আমরাও শুরু করব।”
ইরান জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে পাঠানো এক চিঠিতে যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করে বলেছে, দেশের অভ্যন্তরে এই প্রতিবাদকে হিংসাত্মক ও সহিংস করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যক্ষভাবে মদদ দিচ্ছে।
হাসপাতাল ও নিরাপত্তা সূত্রগুলো আশঙ্কা প্রকাশ করছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে আহতের সংখ্যা আরও বেড়ে যেতে পারে।