শীতের মৌসুমে হাঁসের মাংস খাওয়ার একটি আলাদাই মজা রয়েছে। যারা এতদিন রান্না করার কথা ভেবে ভেবে বিলম্ব করেছেন, তারা নতুন বছরের শুরুতেই সুস্বাদু এই খাবারটি রান্না করে ফেলতে পারেন। শীতের সন্ধ্যায় পোলাও, খিচুড়ি, রুমালি রুটি অথবা চালের আটার রুটির সঙ্গে গরম-গরম হাঁসের ঝাল ভুনা পরিবেশন করলে নিশ্চিতভাবে অভিজ্ঞতা হবে অনন্য। রেসিপি ও পরামর্শ নিচে দেওয়া হলো।
হাঁস ১টি (মাঝারি সাইজ), পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, আদা ও রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ, লাল মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ, জিরা গুঁড়া ১ চা চামচ, গরম মসলার গুঁড়া ১ চা চামচ, কাশ্মীরি লাল মরিচ গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া ½ চা চামচ, লবণ স্বাদমতো, এলাচ ২টি, দারুচিনি ২টি এবং সয়াবিন তেল ½ কাপ।
হাঁস ভালোভাবে পরিষ্কার করে ১২ টুকরো করে কেটে নিতে হবে। টুকরোগুলো ভালোভাবে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখতে হবে।
একটি কড়াইতে সয়াবিন তেল গরম করে তেলে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে সোনালি বর্ণ হয়ে আসা পর্যন্ত ভেজে নিতে হবে। পেঁয়াজের রং হলে অল্প কিছু পানি দিয়ে এতে আদা-রসুন বাটা, হলুদ গুঁড়া, লাল মরিচ গুঁড়া, ধনে গুঁড়া, কাশ্মীরি লাল মরিচ গুঁড়া এবং লবণ দিতে হবে। মসলাগুলো কষানো হয়ে ঘ্রাণ বের হওয়া পর্যন্ত ভালোভাবে নাড়তে হবে।
কষানো মসলার মধ্যে হাঁসের মাংসের টুকরোগুলো দিয়ে মাংসের সঙ্গে মসলা ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে, যাতে সব টুকরো মসলায় মাখানো হয়। এরপর কড়াই ঢেকে আঁচ কমিয়ে মাংস নরম ও সেদ্ধ হওয়া পর্যন্ত রান্না করতে হবে।
মাংস সেদ্ধ হয়ে এলে আবার অল্প পরিমাণ পানি দিয়ে ফুটে উঠলে এলাচ, দারুচিনি, জিরা গুঁড়া, গরম মসলার গুঁড়া এবং গোলমরিচ গুঁড়া যোগ করতে হবে। সব মসলা মিশিয়ে আরও কিছুক্ষণ রান্না করতে হবে, যতক্ষণ না মাংসের রং লালচে হয়ে আসে এবং ঝোল গাঢ় আকার ধারণ করে। শেষে লবণের পরিমাণ ঠিক করে চুলা থেকে নামিয়ে গরম-গরম পরিবেশন করতে হবে।
হাঁসের ঝাল ভুনা গরম অবস্থায় পোলাও, গরম ভাত, খিচুড়ি বা রুটি যেমন রুমালি রুটি বা চালের আটার রুটির সঙ্গে পরিবেশন করলে স্বাদ পরিপূর্ণ হবে।