মতপ্রকাশের স্বাধীনতা দমন করতে মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টির অভিযোগে দুই ব্রিটিশ প্রচারকসহ পাঁচজন ব্যক্তির ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর তাদের ‘র্যাডিক্যাল অ্যাক্টিভিস্ট’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
ভিসা নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছেন ব্রিটিশ লেবার পার্টির সাবেক উপদেষ্টা ও সেন্টার ফর কাউন্টারিং ডিজিটাল হেইট (সিসিডিএইচ)–এর প্রধান ইমরান আহমেদ এবং গ্লোবাল ডিসইনফরমেশন ইনডেক্স (জিডিআই)–এর প্রধান নির্বাহী ক্লেয়ার মেলফোর্ড। এছাড়া এক ফরাসি সাবেক ইউরোপীয় কমিশনার এবং জার্মানিভিত্তিক একটি অনলাইন ঘৃণাবিরোধী সংগঠনের দুই শীর্ষ কর্মকর্তাও এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েছেন।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের অভিযোগ, এসব ব্যক্তি মার্কিন প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোকে ‘ফ্রি স্পিচ’ সীমিত করতে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছেন। তবে এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। তিনি এই পদক্ষেপকে মার্কিন ‘ভীতি প্রদর্শন’ হিসেবে আখ্যা দেন।
এদিকে যুক্তরাজ্য সরকার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় পূর্ণভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ভিসা নিষেধাজ্ঞার এই বিষয়টি ইউরোপজুড়ে আলোচনার সৃষ্টি করেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ঘটনা যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের মধ্যে ডিজিটাল নীতিনির্ধারণ এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে নতুন কূটনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে।