ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১টি সমমনা দলের মধ্যে সংসদীয় আসন বণ্টনের সমঝোতা প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। জোট সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ‘ওয়ান বক্স’ নীতিতে একক প্রার্থী দেওয়ার কৌশল বাস্তবায়নে দলগুলো নীতিগতভাবে একমত হয়েছে এবং আগামী দুই-এক দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত ঘোষণা আসতে পারে।
জানা গেছে, প্রাথমিক সমঝোতা অনুযায়ী ৩০০ আসনের মধ্যে জামায়াতে ইসলামী প্রায় ১৯০টি আসনে প্রার্থী দিতে পারে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ পেতে পারে ৪০টি এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০টি আসন। এ ছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসকে ১৫টি, খেলাফত মজলিস ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)-কে সাতটি করে, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি)-কে দুটি করে আসন দেওয়ার আলোচনা রয়েছে। বাকি কয়েকটি আসন বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি ও জাগপার মধ্যে বণ্টনের বিষয়েও আলোচনা চলছে।
আসন বণ্টন নিয়ে শুরুতে কয়েকটি দলের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিলেও একাধিক বৈঠকের মাধ্যমে তা অনেকটাই নিরসন হয়েছে। জোট নেতারা বলছেন, নির্বাচনে ভালো ফলের স্বার্থে সবাই কিছু ছাড় দিয়েছে। ইতোমধ্যে বেশিরভাগ দল বেশি সংখ্যক আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিলেও চূড়ান্ত সমঝোতার ভিত্তিতে মনোনয়ন প্রত্যাহারের মাধ্যমে ‘এক আসনে এক প্রার্থী’ নীতি বাস্তবায়ন করা হবে।
এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম জানিয়েছেন, জোটে আসন বণ্টনের সিদ্ধান্ত খুব শিগগিরই প্রকাশ করা হবে। জোট নেতাদের মতে, নির্বাচন কমিশনের আপিল ও মনোনয়ন প্রত্যাহারের সময়সীমার আগেই ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত রূপ পাবে।