লুক্সেমবার্গে বাংলাদেশের অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত খন্দকার মাসুদুল আলম লুক্সেমবার্গ সিটির গ্র্যান্ড ডিউক পঞ্চম গিয়োমের কাছে তার পরিচয়পত্র আনুষ্ঠানিকভাবে পেশ করেছেন। লুক্সেমবার্গ সিটির গ্র্যান্ড ডিউকাল প্যালেসে আয়োজিত পূর্ণ কূটনৈতিক সৌজন্যের অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অর্থনীতি ও জলবায়ুসহ বিভিন্নক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার তুলে ধরেন।
শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে লুক্সেমবার্গে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এ তথ্য জানায়।
দূতাবাসের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পরিচয়পত্র পেশের সময় কোর্ট মার্শাল, লুক্সেমবার্গ রয়্যাল হাউসহোল্ডের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, রাষ্ট্রদূতের সহধর্মিণী এবং ব্রাসেলসে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে গ্র্যান্ড ডিউক পঞ্চম গিয়োম রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে এক আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বসেন। বৈঠকের শুরুতে রাষ্ট্রদূত মাসুদুল আলম বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার উষ্ণ অভিবাদন ও শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন।
বৈঠকে দুই দেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্ক ঘিরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছিল দ্বিপাক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ, আর্থিক খাতে সহযোগিতা, লুক্সেমবার্গের বিনিয়োগ সুযোগ বৃদ্ধি, জলবায়ু ও পরিবেশ উদ্যোগে সমর্থন, দ্বৈত কর পরিহার চুক্তি এবং ঢাকা–লুক্সেমবার্গের মধ্যে সরাসরি আকাশপথ সংযোগ স্থাপনের সম্ভাবনা।
গ্র্যান্ড ডিউক জানান, লুক্সেমবার্গও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে থাকে। তিনি প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে অতীতের সৌহার্দ্যপূর্ণ সাক্ষাতের কথা স্মরণ করেন এবং তার মা মারিয়া তেরেসার উদ্যোগে চালু হওয়া ক্ষুদ্রঋণ ও দারিদ্র্য বিমোচনমূলক কর্মসূচিগুলো অব্যাহত রাখার ব্যক্তিগত প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
বৈঠকের এক পর্যায়ে রাষ্ট্রদূত মাসুদুল আলম বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার পক্ষ থেকে গ্র্যান্ড ডিউককে নিকট ভবিষ্যতে বাংলাদেশ সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানান।