প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, কোনো ধরনের বিভ্রান্তি বা অনিশ্চয়তার সুযোগ না রেখে নির্ধারিত সময়েই আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, ‘যে যাই বলুক না কেন, ১২ ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন হবে। এবারের নির্বাচন কোনো গোঁজামিলের নির্বাচন হবে না। এটি হতে হবে সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও উৎসবমুখর।’ এই লক্ষ্য অর্জনে সব রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। প্রতিনিধি দলে ছিলেন জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন সংক্রান্ত যেকোনো জরুরি তথ্য, অভিযোগ বা মতামত সরকারকে অবহিত করলে তাৎক্ষণিকভাবে নির্বাচন কমিশনের নজরে আনা হবে। প্রয়োজন হলে সরকার নিজ দায়িত্বে ব্যবস্থা নেবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।
নির্বাচনের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ভোটকেন্দ্রগুলোকে দ্রুত সিসি ক্যামেরার আওতায় আনার কথা জানান ড. ইউনূস। তিনি বলেন, জানুয়ারির মধ্যেই অধিকাংশ কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন সম্পন্ন হবে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের জন্য বডি ক্যামেরার ব্যবস্থাও থাকবে, যা কন্ট্রোল রুম থেকে সার্বক্ষণিক মনিটর করা হবে।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সরকারের ভূমিকা প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এ বিষয়ে আইনগত কোনো বাধা নেই এবং সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব সংস্কারের পক্ষে অবস্থান নেওয়া বলেও উল্লেখ করেন তিনি।