Ridge Bangla

নির্বাচনী ছুটিতে ঘরমুখী মানুষের উপচে পড়া ভিড়, সারাদেশে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন সেক্টরে ২ থেকে ৫ দিন পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এই ছুটি ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুবিধা নিশ্চিত করতে এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণ বাড়াতে দেওয়া হয়েছে।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনের কারণে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি (বুধবার ও বৃহস্পতিবার) সারা দেশে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। যেহেতু ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি সরকারি সাপ্তাহিক ছুটি, তাই সরকারি কর্মকর্তারা টানা চার দিনের ছুটি উপভোগ করতে পারবেন। ঢাকা ও অন্যান্য অঞ্চলের সব দোকান, বাণিজ্য-বিতান ও শপিং মল ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি বন্ধ থাকবে। বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) থেকে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। ফলে তারা ১০, ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি টানা তিন দিনের ছুটি পাবেন। নির্বাচনের পর প্রতিষ্ঠানগুলো চাইলে শ্রমিকদের একদিন কাজ করাতে পারবে।

দেশের সব তফসিলভুক্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি বন্ধ থাকবে। বাংলাদেশ ব্যাংক এবং ডিএফআইএম পৃথক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি সাপ্তাহিক ছুটির কারণে ব্যাংকিং কার্যক্রম চার দিন বন্ধ থাকবে।

দেশের সব স্কুল-কলেজ ১১ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা পাঁচ দিনের ছুটি পাবে। ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের সাধারণ ছুটি, ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি সাপ্তাহিক ছুটি এবং ১৫ ফেব্রুয়ারি শ্রী শ্রী শিবরাত্রি ব্রত উপলক্ষে বন্ধ থাকবে।

সব আলিয়া মাদরাসাসহ বেসরকারি ইবতেদায়ি, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল মাদরাসা ১১ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত নির্বাচন ও বিভিন্ন ধর্মীয় ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বন্ধ থাকবে। ২৭ ও ২৮ মার্চ সাপ্তাহিক ছুটির পর ২৯ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হবে।

নির্বাচনী ছুটির ফলে ঘরমুখী মানুষের ঢল নেমেছে। বিশেষ করে রাজধানী থেকে গ্রামের বাড়ি ফিরে ভোট দিতে যাত্রীরা প্রতিদিন সকালে পদ্মা সেতু ও অন্যান্য এক্সপ্রেসওয়েতে দীর্ঘ সারিতে দেখা যাচ্ছে।

This post was viewed: 3

আরো পড়ুন