গ্রিনল্যান্ডে ইউরোপীয় ন্যাটো সদস্যদের সীমিত সামরিক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ডেনমার্কের নেতৃত্বে পরিচালিত এই যৌথ মহড়ার নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন আর্কটিক এন্ডিউরেন্স’। এতে অংশ নিয়েছে ফ্রান্স, জার্মানি, সুইডেন, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস ও যুক্তরাজ্যের ছোট ছোট সামরিক দল। সৈন্যরা রাজধানী নুকে ইতিমধ্যেই পৌঁছে গেছে।
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ জানান, প্রাথমিক ১৫ সদস্যের দলটি শিগগিরই স্থল, আকাশ ও নৌ-সম্পদ দিয়ে জোরদার করা হবে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও দাবি করেছেন, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে আনা প্রয়োজন। ওভাল অফিসে তিনি বলেন, রাশিয়া বা চীন গ্রিনল্যান্ড দখল করতে চাইলে ডেনমার্ক তা ঠেকাতে পারবে না, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র পারবে।
এদিনও তিনি সামরিক শক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি। তিনি ডেনমার্কের সঙ্গে সমঝোতার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
ডেনমার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লার্স লোক্কে রাসমুসেন ও গ্রিনল্যান্ডের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ওয়াশিংটন বৈঠকের পরও উভয় পক্ষের মধ্যে মৌলিক মতবিরোধ রয়ে গেছে। পোল্যান্ড সতর্ক করে বলেছে, ন্যাটোর এক সদস্যের বিরুদ্ধে আরেক সদস্যের সামরিক পদক্ষেপ হলে তা হবে রাজনৈতিক বিপর্যয়। রাশিয়া ন্যাটোর এই তৎপরতাকে আর্কটিক অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ানোর অভিযোগ হিসেবে দেখছে।