বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তান, জার্মানি ও অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রদূত সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এসব সাক্ষাতে ভবিষ্যতে বিএনপি সরকার গঠন করলে দেশের পররাষ্ট্রনীতি কীভাবে পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে পৃথকভাবে এসব সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রথমে বিকেল সোয়া ৪টার দিকে তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার। কার্যালয়ে পৌঁছালে তাকে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা স্বাগত জানান।
দ্বিপক্ষীয় এ বৈঠকে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা, ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং দুই দেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এরপর সন্ধ্যা ৬টায় তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ। পরে সন্ধ্যা ৭টায় অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
সাক্ষাৎকালে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন এবং প্রেস সচিব সালেহ শিবলী উপস্থিত ছিলেন।
তিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির সাংবাদিকদের জানান, বৈঠকগুলোতে রাষ্ট্রদূতরা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক কীভাবে আরও শক্তিশালী করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে ভবিষ্যতে বিএনপি সরকার গঠন করলে তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত করতে কী ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং পররাষ্ট্রনীতি কীভাবে নির্ধারিত হবে, এসব বিষয়েও রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে মতবিনিময় হয়েছে।
হুমায়ুন কবির বলেন, ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমানের দেশে ফেরার দিন পুরো বাংলাদেশ তার দিকে তাকিয়ে ছিল। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও বিষয়টি উপলব্ধি করেছে। তারা তাকে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের একজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতা হিসেবে দেখছে। সে কারণেই আন্তর্জাতিক মহল তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতে আগ্রহ দেখাচ্ছে।