Ridge Bangla

চট্টগ্রাম বন্দরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে এসেছে ৫৮ হাজার টন গম

যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) অনুযায়ী নগদ ক্রয় চুক্তি নম্বর জি-টু-জি-০২ এর আওতায় ৫৮ হাজার ৩৫৯ টন গম নিয়ে এমভি ডব্লিউএফ আর্টেমিস জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহিঃনোঙরে পৌঁছেছে। এটি জি-টু-জি চুক্তির তৃতীয় চালান।

সরকারের গাইডলাইনের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম আমদানি কার্যক্রম শুরু করেছে। জি-টু-জি-০২ চুক্তির মাধ্যমে মোট ২ লাখ ২০ হাজার টন গম আমদানি করা হবে। এর আগের প্রথম ও দ্বিতীয় চালান হিসেবে দেশে এসেছে ১ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টন গম। সরকারের পূর্ববর্তী চুক্তি জি-টু-জি-০১ এর আওতায় ইতোমধ্যেই ২ লাখ ২০ হাজার টন গম দেশে আমদানি সম্পন্ন হয়েছে। এতে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও গমের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।

চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানো এমভি ডব্লিউএফ আর্টেমিস জাহাজের গম খালাসের আগে নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। জাহাজে থাকা গমের মান, ভেজাল বা অন্যান্য মানদণ্ড যাচাই করতে এই পরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরীক্ষা সম্পন্ন হলে দ্রুত গম খালাস ও সরবরাহের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সরকারের খাদ্য ও কৃষি খাতের কর্মকর্তারা জানান, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা এই গম দেশের খাদ্য সরবরাহে সহায়ক হবে। দেশের বৃহত্তর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের সঙ্গে এ ধরনের আন্তর্জাতিক চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

বিদেশি গম আমদানির মাধ্যমে খাদ্য ভান্ডার পূরণ এবং বাজারে গমের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। বিশেষত পাউরুটি, বিস্কুট, কনফেকশনারি ও অন্যান্য খাদ্যজাত পণ্যে ব্যবহৃত গমের চাহিদা মেটাতে এটি সহায়ক হবে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, জাহাজের খালাস প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে দেশের বিভিন্ন বন্দর ও গুদামে গম সরবরাহ করা হবে। এতে দেশের খাদ্য শিল্পের উৎপাদন ও চলমান বাজার সরবরাহ প্রক্রিয়ায় স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে। সরকার আশা করছে, আন্তর্জাতিক বাজারের চ্যালেঞ্জ এবং স্থানীয় চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই আমদানির মাধ্যমে গমের অভাব রোধ করা সম্ভব হবে। আগামী মাসগুলোতে আরও চালান আসার মাধ্যমে দেশের গম মজুদ শক্তিশালী হবে এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।

This post was viewed: 6

আরো পড়ুন