বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট।
বার্নিকাট বলেন, “খালেদা জিয়ার সঙ্গে আমার বহুবার দেখা হয়েছে। তিনি বিপদ ও সংকটের মাঝেও হাস্যজ্জ্বল ও আন্তরিক ছিলেন। তার অমায়িক স্বভাব ও জনগণের কল্যাণে কাজ করার মনোভাব এশিয়া উপমহাদেশে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, ততদিন তার লিগ্যাসি স্মরণ করবে।”
তিনি আরও বলেন, “অনেক নির্যাতন সহ্য করেও খালেদা জিয়া কখনো অভিযোগ করেননি। সকালের নাস্তা বা রমজানের ইফতারে তার অতিথিপরায়ণতা ও হৃদ্যতা সবাইকে মুগ্ধ করত।”
স্মরণসভায় অংশ নেওয়া আরেক সাবেক রাষ্ট্রদূত ড্যান মোজেনা বলেন, “খালেদা জিয়া অন্যকে সম্মান দিতেন এবং নিজেও সম্মানিত হতেন। অসুস্থ শরীরেও তিনি অন্যদের খোঁজখবর নিতেন। তার অবদান বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও উন্নয়নের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।”
ওয়াশিংটনের ন্যাশনাল প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত স্মরণসভায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী, প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মার্ক শেফ, এপি’র সাবেক সম্পাদক ম্যারন বিলকাইন্ড, স্টিমসন সেন্টারের সিনিয়র ফেলো স্টিভ রোজ, ভয়েস আমেরিকা বাংলা বিভাগের প্রাক্তন প্রধান ইকবাল বাহার চৌধুরী, বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মুর্তজা ও আমেরিকান ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক এহতেশামুল হক বক্তব্য দেন। সভায় বক্তারা খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সংগ্রাম, আত্মত্যাগ এবং সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তার অবদানকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।