ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে দেশজুড়ে প্রতিবাদের ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছে। হত্যাকাণ্ডের দায়ীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধে নেমেছে ছাত্র-জনতা। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পরপরই এসব কর্মসূচি শুরু হয়।
চট্টগ্রামে হাদির মৃত্যুর খবরে উত্তাল পরিস্থিতি তৈরি হয়। রাত ১১টার দিকে জুলাই আন্দোলনের কর্মী-সমর্থকরা নগরীর গুরুত্বপূর্ণ দুই নম্বর গেইট এলাকায় সড়ক অবরোধ করেন। কয়েকশ বিক্ষোভকারী সড়কের মাঝখানে অবস্থান নিলে ওই এলাকায় যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায় এবং তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
রাজধানীর শনির আখড়া ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় ছাত্র-জনতার ব্লকেড কর্মসূচির কারণে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট দেখা দেয়। সায়েদাবাদ থেকে চিটাগাং রোড পর্যন্ত যানবাহন চলাচল কার্যত অচল হয়ে পড়ে। একাধিক পয়েন্টে সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন।
সিলেটেও রাত সাড়ে ১১টার পর চৌহাট্টার বিজয় চত্বরে বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করেন ছাত্র-জনতা। বিক্ষোভকারীরা সড়কে বসে হাদির হত্যার বিচার দাবি করেন।
এদিকে পটুয়াখালীর চৌরাস্তা এলাকায় বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন জুলাই আন্দোলনকারী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী এই কর্মসূচিতে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে।
গাজীপুরেও শিববাড়ি ও টঙ্গীর কলেজ গেইটসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করেন ডুয়েট শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।