আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল ঘোষণা করতে কিছুটা দেরি হতে পারে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নির্বাচনকেন্দ্রিক আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়।
প্রেস সচিব জানান, এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি একটি গণভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ফলে দুই ধরনের ভোট একসঙ্গে গণনা করতে হবে। এর বাইরে পোস্টাল ব্যালট থাকায় পুরো প্রক্রিয়াটি তুলনামূলকভাবে সময়সাপেক্ষ হতে পারে। তিনি বলেন, ভোট গণনায় দেরি হলে নানা ধরনের গুজব ছড়ানোর আশঙ্কা থাকে, তাই বিষয়টি শুরুতেই পরিষ্কারভাবে জানানো হয়েছে।
শফিকুল আলম আরও বলেন, “এবার নির্বাচন পরিচালনায় বেশ কিছু নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আমরা চাচ্ছি, খুব ভালোভাবে ভোটগণনা হোক। সেক্ষেত্রে ভোট গণনায় কিছু বিলম্ব হতে পারে।”
তিনি জানান, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের ৩০০ আসনেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ লক্ষ্যে বুধবার (২১ জানুয়ারি) মধ্যরাত থেকেই ব্যালট পেপার ছাপার কাজ শুরু হচ্ছে।
এদিকে নির্বাচন কমিশনের সচিবের বরাতে প্রেস সচিব জানান, পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসন ঘিরে যে জটিলতা তৈরি হয়েছিল, তা ইতোমধ্যে নিরসন হয়েছে। তাই ৩০০ আসনেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।