উপদেষ্টা পরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠকে ১১টি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ, নীতি ও প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দুটি অধ্যাদেশের খসড়া আরও পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
প্রেস সচিব জানান, বৈঠকে মোট ১৩টি প্রধান এজেন্ডা নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে বাংলাদেশ বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল আইন (রোহিতকরণ) অধ্যাদেশ, নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস (সংশোধন) অধ্যাদেশ, বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, জুয়া প্রতিরোধ অধ্যাদেশ এবং ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশসহ সাতটি অধ্যাদেশের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ড এবং কল্যাণ ট্রাস্ট অধ্যাদেশেরও অনুমোদন দেওয়া হয়।
এ ছাড়া তথ্য অধিকার অধ্যাদেশের খসড়া নীতিগত অনুমোদন পেয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স (এমএলএ) চুক্তির খসড়া, বাংলাদেশ–জাপান ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরের প্রস্তাব এবং জাতীয় পোলট্রি উন্নয়ন নীতিমালার অনুমোদন দেওয়া হয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ভোট গ্রহণের দিন ১২ ফেব্রুয়ারির পাশাপাশি ভোটার উপস্থিতি বাড়ানো ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুষ্ঠু রাখতে ১১ ফেব্রুয়ারি সরকারি ছুটি ঘোষণার প্রস্তাবও অনুমোদিত হয়েছে।